কুমিল্লা চিকিৎসার নামে শিশুকে হত্যা করে ভন্ড কবিরাজ
কুমিল্লা চিকিৎসার নামে শিশুকে হত্যা করে
ভন্ড কবিরাজ
ভন্ড কবিরাজের ভয়ানক কান্ড, চিকিৎসার নামে শিশুকে হত্যা করে বলছে ‘জ্বীনে মেরে ফেলেছে'
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া এলাকার ভন্ড কবিরাজ মাহাবুবুর রহমান ও মোগোলটুলি এলাকার তার এক খাদেম
ভয়ানক কান্ড ঘটিয়াছে! বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি (ঝুমুর সংলগ্ন) সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের প্রাবাসী জামাল হোসেন। তার সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশু (একমাত্র ছেলে) শেখ ফরিদ ছুটাছুটি আর দুষ্টুমি করতো একটু বেশী।
তাই শুক্রবার সকালে সন্তানের দুষ্টামি কমাতে কবিরাজের কথা মত মা তার সন্তানকে ৩ দিনের জন্য রেখে আসে
কবিরাজের কাছে। রাতে ফোন দিয়ে খবর নেয় ছেলের, কবিরাজ জানায় “ভালো আছে ফরিদ। চিকিৎসা চলছে, রবিবারে এসে নিয়ে যাবেন। একবারে ভদ্র আর শান্ত, সব ঠিক হয়ে যাবে”।
শনিবার দুপুর ১টায় ময়নামতিতে শিশু শেখ ফরিদ ফিরে আসে মায়ের কাছে। তবে ছোটোছুটি করছে না আগের মত। সাদা কাফনে মোড়ানো এম্বুলেন্সে করে, চিরতরে
শান্ত তার দেহ। কবিরাজ ফোন করে জানায় “জ্বীনে মেরে ফেলেছে সকালে, গোসল জানাজা হয়ে গেছে দাফন করে দিন”। এম্বুলেন্সের সাথে পাঠায় খাদেম ও এম্বুলেন্সের ড্রাইভার জহিরুল ইসলামকে।
এমন সংবাদে এলাকায় ব্যপক চঞ্চল্য ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে খাদেম ও এম্বুলেন্সের ড্রাইভার কোতোয়ালী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে জানান শিশুর মামাতো ভাই জাহিদ হোসেন এবং নিহতের নিকটাত্মীয় মোবারক মিয়া।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, “একটি শিশুর ডেটবডি পেয়েছি লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি”।
ভন্ড কবিরাজ
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া এলাকার ভন্ড কবিরাজ মাহাবুবুর রহমান ও মোগোলটুলি এলাকার তার এক খাদেম
ভয়ানক কান্ড ঘটিয়াছে! বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি (ঝুমুর সংলগ্ন) সিন্দুরিয়া পাড়া গ্রামের প্রাবাসী জামাল হোসেন। তার সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশু (একমাত্র ছেলে) শেখ ফরিদ ছুটাছুটি আর দুষ্টুমি করতো একটু বেশী।
তাই শুক্রবার সকালে সন্তানের দুষ্টামি কমাতে কবিরাজের কথা মত মা তার সন্তানকে ৩ দিনের জন্য রেখে আসে
কবিরাজের কাছে। রাতে ফোন দিয়ে খবর নেয় ছেলের, কবিরাজ জানায় “ভালো আছে ফরিদ। চিকিৎসা চলছে, রবিবারে এসে নিয়ে যাবেন। একবারে ভদ্র আর শান্ত, সব ঠিক হয়ে যাবে”।
শনিবার দুপুর ১টায় ময়নামতিতে শিশু শেখ ফরিদ ফিরে আসে মায়ের কাছে। তবে ছোটোছুটি করছে না আগের মত। সাদা কাফনে মোড়ানো এম্বুলেন্সে করে, চিরতরে
শান্ত তার দেহ। কবিরাজ ফোন করে জানায় “জ্বীনে মেরে ফেলেছে সকালে, গোসল জানাজা হয়ে গেছে দাফন করে দিন”। এম্বুলেন্সের সাথে পাঠায় খাদেম ও এম্বুলেন্সের ড্রাইভার জহিরুল ইসলামকে।
এমন সংবাদে এলাকায় ব্যপক চঞ্চল্য ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে খাদেম ও এম্বুলেন্সের ড্রাইভার কোতোয়ালী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে জানান শিশুর মামাতো ভাই জাহিদ হোসেন এবং নিহতের নিকটাত্মীয় মোবারক মিয়া।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, “একটি শিশুর ডেটবডি পেয়েছি লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি”।

No comments